করোনার নীরব বাহক ভয়ংকর!

প্রকাশিতঃ ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ, শুক্র, ১০ এপ্রিল ২০

অধ্যাপক ডা. আজিজুর রহমান, বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ :

কেউ করোনাভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হলে মোটামুটি দুসপ্তাহের মধ্যে তার জ্বর, শুকনো কাশি, মাংসপেশীর ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।যাদের দেহে ইতোমধ্যেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা গেছে – তাদের থেকে এ রোগ অন্যের দেহে ছড়াতে পারে। কিন্তু যাদের ক্ষেত্রে কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না – তারা ঠিক কিভাবে সংক্রমণ ঘটাচ্ছে?

এমন অনেকে আছেন যারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং করোনাভাইরাস বহন করছেন – কিন্তু তারা তা বুঝতে পারেন না, জানতেও পারেন না যে তাদের সংস্পর্শে এসে অন্যরা সংক্রমিত হচ্ছেন। এ তালিকার সম্মুখ ভাগে আছে চিকিৎসকরা। শিশুরাও করোনাভাইরাস বহন করতে পারে এবং প্রায়ই তাদের দেহে কোন লক্ষণ দেখা যায় না। হয়তো তারাও করোনাভাইরাস ছড়ানোয় একটা ভূমিকা রাখছে!

আপাত দৃষ্টিতে সুস্থ কিন্তু ভাইরাস বহন করছে, এমন ব্যক্তিদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে প্রথম ভাগে রয়েছে প্রি-সিম্পটমেটিক বাহক। এরা সংক্রমিত হওয়ার পর লক্ষণ প্রকাশ না করলেও পরে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে অ্যা-সিম্পটমেটিকরা। এরা এমন ব্যক্তি যাদের মধ্যে কখনই লক্ষণ প্রকাশ পায় না। আর তৃতীয় ভাগে রয়েছে পোস্ট-সিম্পটমেটিক বাহক, যারা অসুস্থ হওয়ার পর সেরে উঠলেও ভাইরাস বহন করে চলে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের একটি বিরাট অংশ (ক্ষেত্রভেদে প্রায় ৬০ শতাংশ বা তারও বেশি) কোনো উপসর্গই প্রকাশ করে না এবং নীরবে ও নিজের অজান্তে রোগটি ছড়াতে থাকে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ