করোনায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বাড়তি সতর্কতা

প্রকাশিতঃ ৫:৪১ অপরাহ্ণ, বুধ, ২৫ মার্চ ২০

তরিকুল ইসলাম তারেক, যশোর : জেলার কারা বাউণ্ডারিতে কেউ ঢুকলেই মূল গেট থেকে সাবান দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে ভেতরে নেওয়া হচ্ছে। নতুন কোনো বন্দি আসলে কারা অভ্যন্তরে চারটি নতুন ওয়ার্ড করে সেখানে রাখা হচ্ছে। বন্দিদের বাইরের পোশাক খুলে নতুন পোশাক পরানো এবং মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। বয়োবৃদ্ধ, সর্দি-কাশি, জ্বর মাথা ব্যথাসহ কোনো উপসর্গ দেখা দিলে তাদের আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতি ওয়ার্ডের দরজায় রাখা হয়েছে সাবান ও পানি। যেন বন্দিরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে ওয়ার্ডে থাকতে পারেন। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বন্দিদের ওয়ার্ডের বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এক ওয়ার্ডের বন্দিদের গোসল শেষ হলে অন্য ওয়ার্ডের বন্দিদের বের করা হচ্ছে গোসলের জন্য। প্রতিটি ওয়ার্ডে জীবাণুনাশক ছেটানো হচ্ছে। কারারক্ষীদেরও এই নিয়মের আওতায় রাখা হয়েছে।

তবে এতোকিছুর পরেও কারারক্ষী ও বন্দিদের স্বজনদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎকণ্ঠা। কারা অভ্যন্তরে ও জেলগেটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে হা-হুতাশ করছেন বন্দিদের স্বজনরা।

কারাগারে থাকা স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা যশোর সদরের সুলতানপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, ঝুমঝুমপুরের আবু বক্কার, পূর্ববারান্দীপাড়ার কোহিনুর বেগম, ষষ্ঠিতলাপাড়ার শারমিন, নারাঙ্গালীর নাজমা জানান, স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে এসে দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তারা ব্যর্থ হয়েছেন। তারা আতঙ্কে থাকার কথা জানান।

জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা বলছেন, বন্দিদের করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করতে কারা কর্তৃপক্ষ সচেতন দৃষ্টি রাখছে। বর্তমানে কারাগার থেকে বন্দিদের আদালতে পাঠানো হচ্ছে না। ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই নিয়ম পালন করা হবে।

যশোর কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খান বলেন, বর্তমানে কারাগারে বন্দির সংখ্যা এক হাজার ৩৯৯; যার মধ্যে পুরুষ এক হাজার ৩৩৬ জন এবং নারী ৬৩ জন।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ