করোনা আতঙ্ক : মানুষ রোগে মরে কম, গুজবে বেশি

প্রকাশিতঃ ১০:০৮ পূর্বাহ্ণ, সোম, ৯ মার্চ ২০

ডা. সিফাত রহমান :

করোনা ভাইরাস নিয়ে কিছু কথা, আল্লার-ওয়াস্তে মন দিয়ে পড়বেন। কয়েকটা কথা লিখবো। লম্বা পোস্ট কেউ পড়েন না- আমি জানি।

১. মাস্ক পরে ঘুরে কোন লাভ নাই, এই ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। মাস্কের চাহিদা আকাশচুম্বী বানিয়ে কোন লাভ নাই। দিনে অন্তত ১০ বার সাবান বা হ্যান্ড ওয়াশ দিয়ে হাত ধুতে হবে, বাইরের পোষাক ঘরে ঢুকেই বদলে ফেলুন। এই ভাইরাস পোষাকে, surface এ, লিফটে, মোবাইল স্ক্রিনে থাকতে পারে। পাব্লিক প্লেসে থাকে সারফেস এরিয়াতে।

২. বাচ্চাদের আক্রান্ত হবার ইনসিডেন্স রেট খুব কম। Under 6 years বাচ্চারা রেয়ারলি আক্রান্ত হয়। তাই বাচ্চাদের ব্যাপারে প্যানিকড হবেনা

৩. অন্য ভাইরাল ফ্লুয়ের মতো এই ভাইরাল ফ্লুও সেল্ফ লিমিটিং। ৭ দিন পর হয়তো এমনিই সেরে যাবে আপনি টের ও পাবেন না। তাই প্যানিকড হবেন না। রোগে কম মরে মানুষ, গুজবে মরে বেশি।

৪. সন্দেহজনক মনে হলে, কিংবা পরীক্ষা নিরীক্ষায় ধরা পরলে আইসোলেটেড থাকুন ১৪ দিন পর্যন্ত। এই ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিওড বা সুপ্তিকাল ১৪ দিন।

৫. যাদের ডায়বেটিস, কিডনি ডিজিজ, হাইপারটেনশন বা অন্য কোন রোগ আছে আগে থেকে যেটাকে Co morbidity বলে তারা করোনায় আক্রান্ত হলে উপযুক্ত ম্যানেজমেন্ট না হলে মৃত্যহার বেশি।

করোনায় আক্রান্ত হলেই কেউ মারা যাবে এটা গুজব। মর্টালিটি রেট এভারেজে ২%, আমাদের দেশে প্রতিদিন শুধু সড়ক দুর্ঘটনায় এরচেয়ে বেশি মানুষ মারা যান।

তাই আতংকিত না হয়ে সচেতন হন।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ