কাঁদে দেশ, কাঁদে মানবতা

প্রকাশিতঃ ১০:৫৫ অপরাহ্ণ, শুক্র, ৩ এপ্রিল ২০

ইসমাম হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী (ডিআইইউ) :

আমরা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, আমাদের দেশ জাতি সমাজ সবাই সচেতন ছাড়া এই মহামারী করোনা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ মহামারী কেড়ে নিয়েছে আমাদের কারো পিতা-মাতা ভাই-বোন প্রতিবেশী আরো অনেকের প্রাণ।

মহান আল্লাহতালা ছোট্ট এই (করোনা) ভাইরাস দিয়ে পৃথিবীকে থমকে দিয়েছে। এই ভাইরাস কোন মানুষকে যদি হয় সেই মানুষটি মারা যাচ্ছে, মরার পর সেই মানুষটির লাশ ভালোভাবে দাফন করা হচ্ছে না। সেই লাশটিকে ক্রেন দিয়ে চালিয়ে ফেলা হচ্ছে। জানাযা পড়ার জন্য কোন লোক যাচ্ছে না। ছোট্ট একটি ভাইরাস আমাদেরকে অনেক দূরে সরিয়ে দিচ্ছে।

আমাদের এই দেশে যত দিনমজুর আছে, তাদেরকে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করছে অনেক প্রতিষ্ঠান এবং সরকার। সরকার প্রতিটা জেলায়-উপজেলায় গরিব, দিনমজুরদের জন্য খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। এদের মধ্যে কিছু নিকৃষ্ট লোক আছে যারা সরকারি চালগুলো দিনমজুর গরিব-দুঃখীদের মাঝে না দিয়ে নিজেদের পকেট এ রাখছে।

আরেক দিকে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে, যারা এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে না থেকে এই দুঃসময়ের সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে অনেক মুনাফা অর্জন করছে। সরকার অনেক ব্যবস্থা নিচ্ছে, তারপরেও সেগুলোকে দমন করা যাচ্ছে না।

আজকের এই দুর্যোগে সবাইকে সবার পাশে থাকতে হবে নিজের জন্য, মানবতার জন্য এবং জাতির জন্য।

সত্যিকার অর্থে আমরা আমেরিকা, ফ্রান্স, চীন, ইতালির মত দেশ হতে চাই না, আমাদের সচেতন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দেশের জন্য হোক মানবতার জন্য হোক, কোন মায়ের কান্নার জন্য হোক, আমরা চাই আর কোন মায়ের কোল যেন খালি না হয়, কেউ যেন তার ভাইকে না হারায়, কেউ যেন তার প্রিয় মানুষটিকে না হারাই। কোরনা প্রতিরোধের ব্যবস্থা গুলো আমরা সবাই মেনে চলি এবং সবাইকে মেনে চলার আহ্বান জানায়।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ