খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি দুপুর ২টায়

প্রকাশিতঃ ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ, রবি, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি হবে আজ রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায়। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সকালে এই সময় ধার্য করেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই সুপ্রিম কোর্টের মাজার গেইটের প্রবেশপথে তল্লাশি করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মানুষকে সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় প্রবেশ করতে দিচ্ছে পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি দিনের কার্যতালিকার এক নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি হবে বলে দিন নির্ধারণ করেন।

জামিন আবেদনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে তথা যুক্তরাজ্যের মতো দেশে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন দাখিল করা হয়। গতকাল সকালে আদালতে খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ও অ্যাডভোকেট সগীর হোসেন লিওন। অন্যদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান।

গতকাল জামিন আবেদন উপস্থাপনের সময় আদালত খন্দকার মাহবুব হোসেনকে প্রশ্ন করে বলেন, এটা কী? জবাবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন।

এ সময় আদালত বলেন, এই আদালতে এসেছেন কেন? এর আগে আমরা জামিনের আবেদন খারিজ করেছি। এরপর আপনারা আপিল বিভাগে গেলেন। আপিল বিভাগও আমাদের আদেশ বহাল রেখেছেন। এর পরও কেন এসেছেন? জবাবে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, একবার খারিজ হলে নতুন গ্রাউন্ডে বারবার আসতে আইনে তো বাধা নেই। সে সুযোগ তো রয়েছে। তিনি (খালেদা জিয়া) গুরুতর অসুস্থ। তাঁর অবস্থার অবনতি হয়েছে। এরপর আদালত আবেদনটি গ্রহণ করেন এবং রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর খালেদা জিয়াকে সাত বছর কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত। এরপর এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে জামিনের আবেদন করা হয়। বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বছর ৩০ এপ্রিল এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। এরপর জামিনের আবেদনের ওপর এ আদালতে শুনানি হয়।

শুনানি শেষে গত বছর ৩১ জুলাই খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। ওই খারিজের রায়ের বিরুদ্ধে গত বছর ১৪ নভেম্বর আপিল করেন খালেদা জিয়া। এ আবেদন গত বছর ১২ ডিসেম্বর খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ। এই খারিজের রায় প্রকাশিত হয় গত ১৯ জানুয়ারি। এ অবস্থায় নতুন করে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হয়।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ