জয়পুরহাটে কনিষ্ঠতম রোজাদার তামীম

প্রকাশিতঃ ৮:০০ অপরাহ্ণ, রবি, ২৪ মে ২০

জয়পুরহাট প্রতিনিধি : একুশে টেলিভিশন ও দৈনিক দিনকালের জয়পুরহাট প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম শফিকের ৭ বছরের ছোট্ট শিশু পুত্র তামীম ইসলাম এ রমজানের ১৫টি রোজা পালন করে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জয়পুরহাট শহরের আরাফাত নগর এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক শফিকুল ইসলাম শফিক ও উম্মে সালমা দম্পতির ২ সন্তানের মধ্যে ছোট ছেলে তামীম ইসলাম জযপুরহাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেনিতে লেখাপড়া করে। সে লেখাপড়ায়ও বেশ ভালো।

মা উম্মে সালমা জানান, শিশু তামীম আর সকল শিশুর মতই আচার-অচরনে স্বাভাবিক প্রকৃতির হলেও বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারনে গৃহবন্ধী অবস্থায বাড়িতে থাকায় অনেক সময় ছটফট করে। অন্যান্য শিশুদের মতই বাড়িতে থাকতে না চাইলেও কিছু করার নেই। এ অবস্থায় নিজ আগ্রহ থেকেই সে রোজা রাখছে।

তবে বছরের অন্যান্য সময়গুলিতে খাওয়ার অভ্যেস ৩ বেলারও বেশী। এ ছাড়াও অন্যান্য শিশুর মতই যতক্ষন জেগে থাকে ততক্ষন কিছু না কিছু খাওয়ার প্রতি বেশ আগ্রহ রয়েছে বলেও তামীমের মা জানান।

বাবা শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, তামীম সেহরী খাওয়ার জন্য সারারাত জেগে থেকে সেহরী খেয়ে তারপর ঘুমিয়ে পরে। ওর বয়সের কথা ভেবে রোজা রাখতে নিষেধ করলে কান্না-কাটি করে। সব ক’টি রোজা রাখার উদ্দেশ্যে প্রতি রাতেই সেহেরী খেলেও মাত্র ১৫টি রোজা পালন করার পর ওর স্বাস্থ্যের কথা ভেবে অবশিষ্ট রোজাগুলি আর পালন করতে দেওয়া হয়নি। তবে রোজা রাখার পাশাপাশি সে নামাজও পরে।

জয়পুরহাট জেলা প্রেসক্লাবের সভপতি ও চ্যানেল আই প্রতিনিধি এস এম শফিউল বারী রাসেল, সাধারন সম্পাদক ও বিটিভি প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মিন্টু, জয়পুরহাট টেলিভিশন রিপোর্টারস ইউনিটি’র সভাপতি আব্দুল আলীম (যমুনা টিভি) ও সাধারন সম্পাদক রাশেদুজ্জামান (আরটিভি), বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও ইনডিপেনডেন্ট টিভি প্রতিনিধি মোমেন মুনিসহ অন্যান্য সাংবাদিক ও এলাকাবসীরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, সহকর্মী হিসেবে সাংবাদিক শফিকের পরিবারের সাথে একটা পারিবারিক সম্পর্ক তৈরী হয়েছে। সে কারনে বিষয়টি তাদেরও জানা আছে বলে নিয়মিত শিশুটির স্বাস্থ্যের খোঁজ-খবর নেওয়া হয়েছে।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।