ঢাকা সিটির ভোট ইভিএমেই : সিইসি

প্রকাশিতঃ ১:০৯ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গল, ৭ জানুয়ারি ২০

সময় জার্নাল ডেস্ক : ঢাকা সিটির নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট হলে ক্ষমতাসীন দল কারচুপি করবে বলে বিএনপি অভিযোগ করলেও এ পদ্ধতিতেই ভোটগ্রহণে অনড় রয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

ইভিএমে ভোট আয়োজনে ইসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচনে ইভিএম থেকে সরে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই নির্বাচন কমিশনের। ইভিএমেই ভোট হবে।’

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সিইসি ও ইসির কর্মকর্তারা বিএনপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, ইভিএমের মাধ্যমে কারচুপি করবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

ইভিএম নিয়ে আশঙ্কার কোনো কারণ নেই জানিয়ে সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা বলেছি যে ইভিএমে ভোট হলে যার ভোট তিনিই দিতে পারবেন। একজনের ভোট আরেকজন দিতে পারবেন না। একবারের বেশি একজন ভোট দিতে পারবেন না। এতে আলাদা কোনো প্রোগ্রামিং নেই। কোনো ভোট কারচুপি হওয়ার সুযোগ নেই।’

বিএনপির অভিযোগের প্রসঙ্গে নুরুল হুদা বলেন, ‘নীরবে কারচুপি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা তাদেরকে বুঝিয়ে বলেছি। আমরা বলেছি, অনেকগুলো নির্বাচন করেছি। এর মধ্যে সংসদ নির্বাচন করেছি। সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন করেছি। সেখানে কারচুপির অভিযোগ আসেনি। ভোটারদের মধ্যে এ নিয়ে কোনোরকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল না। প্রার্থী যারা জয়ী হয়েছেন, তারাও কোনো অভিযোগ করেননি।’

দুই সিটির নির্বাচনে পুলিশ পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করবে না দাবি করে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বলেন, ‘কোনটা প্রয়োজনীয় আর কোনটা নিষ্প্রোয়োজনীয়, সেটা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আলাদাভাবে বসব। সচিবকে দায়িত্ব দিয়ে যাব। আমি আগামীকাল (আজ) চট্টগ্রাম যাব। তিনি (সচিব) সেটা তাদের (পুলিশ) সঙ্গে আলোচনা করবেন। আমি এসে আলাদাভাবে আলাপ করব। আমার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা হয়েছে, তারা কখনই নির্বাচন নিয়ে কোনো রকম পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করবে না।’

তিনি বলেন, ‘৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত নিষ্প্রোয়োজনীয় কোনো হয়রানি করা যাবে না। তার মানে এই নয় যে, কেউ ক্রিমিনাল অফেন্স করে বসলে, নির্বাচনের দোহাই দিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না, এটা সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, আদালত থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে কারও ওপর, তখন তো কোর্টের অর্ডারের বিরুদ্ধে পুলিশ অবস্থান নিতে পারে না। এ রকম যদি হয়ে থাকে, সেটা দেখতে হবে।’

বিএনপিকে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কী বলেছেন জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করে কঠোরভাবে বলে দেব যে, নির্বাচনের সময় যেন তারা প্রার্থীকে নিষ্প্রোয়োজনীয় হয়রানি না করে এবং সেটা করবে না।’

ভোট শুরুর আগেই প্রচারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রচার যে শুরু করেছে, সে ব্যাপারে তারা অভিযোগ করেনি। আমাদের কাছে পত্রপত্রিকায় অভিযোগ এসেছে। আমাদের রিটার্নিং কর্মকর্তারা অ্যাকশন নিয়েছেন।’

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ