কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়
৩ উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিতঃ ৭:২৬ অপরাহ্ণ, সোম, ১৪ অক্টোবর ১৯

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের পর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করলেও শিক্ষার্থীদের ভিতর ক্ষোভ বিরাজ করে। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনে উপাচার্যের উদ্বোধন ঘোষণার পর দোয়া ও মিলাদে অংশ নেয়নি শিক্ষার্থীরা। দোয়া ও মিলাদ শেষে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

আজ সোমবার (১৪অক্টোবর) সকাল ১১টায় শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতেই এ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক জালাল উদ্দিন,প্রক্টর উজ্জ্বল কুমার প্রধান,রেজিস্ট্রার(ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর,পরিকল্পনা দপ্তর প্রধান মোঃ হাফিজুর রহমান, দুই অনুষদের ডীন,ছাত্র উপদেষ্টা সহ দুই হল প্রভোস্ট।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের উদ্বোধন করতে গেলে শুরুতেই শিক্ষার্থীদের বাঁধার মুখে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন । শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে বুঝাতে ব্যর্থ হয়ে এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ছাড়াই শিক্ষক,কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিদের নিয়েই ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয় ।এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শ্লোগান দিতে থাকে।

গ্রীন ক্যাম্পাস সভাপতি আশরাফ শুভ বলেন, আমরা এই ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন মানিনা। একতরফা ভাবে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না প্রশাসন। আমাদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী পুরো পুকুর রক্ষা না হলে এই কাজ আমরা হতে দিবো না।

 

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমিটির সভাপতি হাসিব ইসলাম বলেন- শিক্ষার্থীদের কথা ,পরিবেশের কথা চিন্তা না করে পরিবেশ বিরোধী এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে দিবো না।

এবিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন- আমাদের উন্নয়ন প্রয়োজন । এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৮টি বিভাগ খোলা হবে তাঁর জন্যে আমাদের ভবন দরকার তাই আমাদের সহায়তা করুন। গাছ রক্ষা পাবে সেই সাথে পুকুরের বেশির ভাগ রেখেই কাজ করা হবে ।

উল্লেখ্য, উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ১০তলা একাডেমিক ভবন,অতিথি ভবন ও সাবস্টেশন ভবন নির্মান।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ