নাটোরে বন্দুকযুদ্ধে হত্যা মামলার আসামি নিহত

প্রকাশিতঃ ৪:১৫ অপরাহ্ণ, শুক্র, ২৪ জানুয়ারি ২০

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার আসামি আবু হানিফ ব্যাপারী (৪০) নিহত হয়েছেন।

গতকাল (২৩ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পারগুরুদাসপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হানিফ গুরুদাসপুর উপজেলার কালাকান্দার গ্রামের রুহুল শেখের ছেলে।

পুলিশের দাবি, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তাদের দুই সদস্যও আহত হয়েছেন। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি পাইপগান ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

আহত দুই পুলিশ সদস্য হলেন, সহকারী উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম ও রুবেল হোসেন।

নাটোরের পুলিশ সুপার (এসপি) লিটন কুমার সাহা জানিয়েছেন, গত ১৬ জানুয়ারি পারগুরুদাসপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত) ও মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই মামলার আসামিদের শনাক্ত করা হয়।

পরে, সিংড়া সার্কেলের এএসপি জামিল আকতারের নেতৃত্বে গুরুদাসপুর থানা পুলিশের একটি দল গত ২২ জানুয়ারি রাতে রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকা থেকে ওই হত্যাকাণ্ডের মামলায় ভাড়াটে খুনি হানিফকে গ্রেপ্তার করে। পরে হানিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে পারগুরুদাসপুর এলাকায় তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায় পুলিশ।

সেসময় পারগুরুদাসপুর থেকে কালাকান্দর সংযোগ সড়কের পাশের বাগানে ওত পেতে থাকা পলাতক আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

‘বন্দুকযুদ্ধ’ চলাকালীন হানিফ পালানোর চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়। তবে অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে আহত হানিফকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, নিহত হানিফের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ