পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.২ ডিগ্রি সেঃ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ, সোম, ১৩ জানুয়ারি ২০

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা হিমালয় কন্যা পঞ্চগড়ে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা আজ সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন।

এদিকে প্রচন্ড ঠান্ডা আর ঘন কুয়াশায় কাহিল জেলার সর্বস্তরের মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে স্কুলগামী শিশু, শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ।

আজ ১৩ জানুয়ারি সোমবার সকাল ৯ টায় পঞ্চগড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। রবিবার তা ছিল ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে বলে জানান আবহাওয়া অফিস।

এবার পৌষের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অধিকাংশ সময় পঞ্চগড়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। বেলা ডুবার সাথে সাথেই ঘন কুয়াশার সাথে সাথে কমে আসছে তাপমাত্রা। গত কয়েক দিন ধরেই প্রায় সারাদিনই হিমালয়ের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল থেকে ধেয়ে আসা ঠাণ্ডা বাতাস বয়ে চলেছে। শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে দুর্ভোগও বাড়ছে জেলার নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের। প্রয়োজনীয় সংখ্যক শীতবস্ত্রের অভাবে কষ্টে রাত কাটে এসব নিম্ন আয়ের মানুষের। খড়কুটো জ্বালিয়ে তারা শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। রাত ৯টার পর পরই রাস্তা ঘাট হাঁট বাজার ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে জানিয়েছে মানুষ। এছাড়া শীতের তীব্রতা বাড়ায় হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় থাকছেই। পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রতিদিন শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। যারা বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন তারাই কেবল হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, ঘন কুয়শা আর শৈতপ্রবাহের কারনে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। সামনে শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলেও জানান তিনি।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ