পরীক্ষায় সাদা খাতায় পেলো সর্বোচ্চ নম্বর

প্রকাশিতঃ ১২:০১ অপরাহ্ণ, শনি, ১২ অক্টোবর ১৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কোনো শিক্ষার্থীকে রচনা লিখতে বললে সে যদি সাদা খাতা জমা দেয়, তবে নিশ্চয়ই তার ফেল করার কথা। কিন্তু জাপানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেছে তার সম্পূর্ণ উল্টোটা।

শিক্ষক ক্লাসে রচনা লিখতে বললে ছাত্রী জমা দেন সাদা খাতা। আর এতেই তিনি পেয়ে যান সবচেয়ে বেশি নম্বর। ঘটনাটি ঘটেছে জাপানের মিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আর সাদা খাতা জমা দেয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম এইমি হাগা। তার বয়স ১৯ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম বর্ষের ছাত্রী তিনি। বিবিসির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

নিশ্চিয়ই এর ভেতরে কোনো রহস্য আছে। খবরে বলা হয়েছে, সত্যিকার অর্থে এইমি সাদা খাতা জমা দেননি। খাতায় রচনাটি তিনি লিখেছিলেন অদৃশ্যমান কালিতে।

মিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিনজা ক্লাবের সদস্য এইমি আবুরিদাশি নামের এক ছোট্ট নিনজা কৌশল খাটিয়েই করেছিলেন কাজটি।

এ কৌশলে সয়াবিন ভিজিয়ে রেখে পরে গুঁড়ো করে তার সঙ্গে পানি মিশিয়ে অদৃশ্য কালি তৈরি করা হয়। ছোটবেলায় এ কৌশল সম্পর্কে পড়েছিলেন এইমি।

তাই অন্যদের চেয়ে আলাদা কিছু করার চিন্তা থেকেই অদৃশ্যমান কালিতে শিক্ষক ইউজি ইয়ামাদার কাছে রচনা লেখা খাতা জমা দেন এইমি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস ও নিনজা সংস্কৃতি পড়ান ইয়ামাদা। সেদিন নিনজা ইতিহাস ক্লাসে ইগারিউ নিনজা জাদুঘর ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচনা লিখতে দিয়েছিলেন তিনি।

তার আগেই ইয়ামাদা বলে রেখেছিলেন, কেউ উদ্ভাবনী ক্ষমতা দেখাতে পারলে সেরা নম্বর দেবেন।

এইমির নিনজা পদ্ধতির লেখা রচনায় মুগ্ধ হয়ে ইয়ামাদা তাকে সর্বোচ্চ নম্বর দেন। এইমি খাতাটি জমা দেয়ার আগে সেটিতে দৃশ্যমান কালিতে লিখে দিয়েছিলেন, পড়ার আগে তাপ দিয়ে নিন।

এ লেখাটি দেখেই শিক্ষক ইয়ামাদা বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং বাসায় গিয়ে একটি গ্যাস স্টোভের উপর খাতাটি রেখে গরম করেন।

আর তখনই ফুটে ওঠে এইমির লেখা। এমন সৃজনশীলতা দেখে ভীষণ মুগ্ধ হন ইয়ামাদা। তার লেখাটিও ভালো ছিল বলে জানান তার শিক্ষক।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ