পাটুরিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে ট্রাক চালকরা

প্রকাশিতঃ ১২:৫৮ অপরাহ্ণ, শুক্র, ১৫ নভেম্বর ১৯

নিউজ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ ও যানবাহন পারাপারের অন্যতম নৌপথ হচ্ছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট। এ নৌরুট দিয়ে প্রতিনিয়ত কয়েক হাজার যানবাহন পারাপার হয়ে থাকে।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় দেখা যায় যানবাহনের সারি দীর্ঘ। যাত্রীবাহী পরিবহন সিরিয়ালে পার হলেও দুর্ভোগে রয়েছে পণ্যবোঝাই ট্রাক চালকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার হওয়ায় যানবাহনের বাড়তি চাপ পড়েছে পাটুরিয়া ঘাট এলাকায়। জরুরি পচনশীল পণ্যবোঝাই ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধের গাড়ি, লাশবাহী গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে।

বর্তমানে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরির মধ্যে ১৪টি ফেরি যানবাহন পারাপারের কাজে নিয়োজিত রয়েছে বাকি তিনটি ফেরি ভাসমান কারখানা মধুমতিতে মেরামতের জন্য রাখা হয়েছে। নাব্যতা সংকটের জন্য পাটুরিয়া পয়েন্টে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিংয়ের কাজ করছে। ড্রেজিংয়ের জন্য অনেক সময় ফেরি ঘাটে পৌঁছাতে নানা সমস্যা হয় এজন্য পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের দীর্ঘ সারি হচ্ছে বলে মনে করছেন যানবাহনের চালকেরা।

যশোরগামী পণ্যবোঝাই ট্রাকের চালক শাহিন মিয়া বলেন, রাতে কিছু ট্রাক পারাপার করা হলেও দিনের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাক পারাপার বন্ধ করে দিয়েছে। যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে দুই একটি করে ট্রাক প্রতি ফেরিতে দিলেও আমাদের দুর্ভোগ কমে যেত অথচ দালালের মাধ্যমে টিকিট কাটলে ফেরির টিকিটও পাওয়া যায় আবার ফেরিও পারাপার হওয়া যায়।

মাদারিপুরগামী আরেক ট্রাক চালক সুজন বলেন, আমরা যারা ট্রাকের চালক তারা তো মানুষ না, মানুষ হলে-তো দুই চার ঘণ্টার ভেতর ফেরি পারাপার হতে পারতাম। ঘাটে এলে এক বা দুই দিন অপেক্ষা করতে হয় পারের জন্য।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) পাটুরিয়া সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত ডিজিএম জিল্লুর রহমান বলেন, শুক্রবার এলে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলগামী বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়ে পাটুরিয়া ঘাটে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাটুরিয়া ঘাটে যানবাহনের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। ঘাটে নাব্যতা সংকটের কারণে প্রায় গত এক মাস ধরে বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিংয়ের কাজ করছে নদীর চ্যানেল সচল রাখতে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ