প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অধ্যাপক ডা. শহীদুল্লাহ সিকদারের বই

প্রকাশিতঃ ৭:৩০ অপরাহ্ণ, সোম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০

লেখকঃ ডা. শহীদুল্লাহ সিকদার
প্রকাশনীঃ
মূল্যঃ
স্টল নংঃ

মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এ অর্জনের পেছনে মূল অনুপ্রেরণা ছিল ’৫২ এর মহান ভাষা আন্দোলন। পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ২৪ বছর ধরে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ, বিসর্জন এবং অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের পর ’৭১ এর স্বশস্ত্র যুদ্ধের মধ্যদিয়ে আমাদের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। স্বাধীনতার জন্য আমাদের ৩০ লাখ শহীদ রক্ত দিয়েছেন, দুই লক্ষ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন।

হাজার বছরের বাঙালির বঞ্চনার ইতিহাস, একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়, বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ, সংগ্রামের গৌরব গাঁথা পথচলা যেখানে অজুত লক্ষ বাঙালির নিবেদন এক হয়ে কাজ করেছে। বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম, জীবনবাজি রাখা সংগ্রাম, জেল জুলুম সহ্য করা, দেশের মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ এবং দেশ নিয়ে তাঁর স্বপ্ন আরও অনেক মুক্তিকামী বাঙালির মত কিশোর বয়স থেকে আমার মনে গভীর রেখাপাত করে। পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলার মাটিতে ঘাতকচক্রের হাতে সেই বাঙালির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হয়। তাঁকে হত্যার মধ্যদিয়ে আমাদের স্বাধীনতা, ভাষা সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের মহান অর্জনগুলো একে একে মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়।

জাতির এই ক্রান্তিকালে বাবার মত জীবনবাজি রেখে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা আজকের মামনীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকচক্রকে প্রতিহত করতে রাজপথে নামেন। তিনি হাটি হাটি পা পা করে দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বাম-ডান রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিকসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তিকে পরাজিত করে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আবার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় নিয়ে আসেন।

জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেছেন বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার মধ্যেও। এ সকল সাফল্যের মাঝে তাঁর সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো নিজে দায়িত্ব নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক দুর্বৃত্তদের, বিশেষ করে নিজ দল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অন্যান্য দলের বর্ণচোরা সুবিধাবাদীদের সকল ষড়যন্ত্র ও হুমকি মোকাবেলা করে জাতির জনকের দুর্বৃত্ত, দাম্ভিক হত্যাকারীদের বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে সক্ষম হয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি দেশীয়, আন্তর্জাতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈকিতভাবে তথাকথিত শক্তিধর ব্যক্তিদের পরাজিত করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে সক্ষম হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের আত্মার প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানোর চেয়ে বড় কোনো পথ আছে বলে আমার জানা নেই।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সংগ্রামী, তিনি যোদ্ধা, তিনি দার্শনিক, তিনি শিল্পী, যিনি পিতার অবর্তমানে একই ক্যানভাসে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে হাজার বছরের বঞ্চিত বাংলার কৃষক, শ্রমিক, গৃহবধূ, ছাত্র, শিক্ষক, কবি, শিল্পী সাহিত্যিকের স্বপ্ন এবং দর্শনকে নিজস্ব মেধা এবং মনন দিয়ে নিপুনভাবে নিরন্তর এঁকে চলেছেন।

মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দৃঢ়তা, ত্রিশ লক্ষ শহীদের স্বপ্ন আমাদের সকল কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করে। এই বইটিতে উদার বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্ভুদ্ধ অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, শোষণমুক্ত বাংলাদেশ নির্মাণের আকাঙ্খায় আমাদের সমসাময়িক, সামাজিক, রাজনৈতিক বিষয়গুলো তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। এই লক্ষ্য পূরণে লেখাগুলো সামান্য অবদান রাখতে পারে তাহলে আমার শ্রম সার্থক হয়েছে বলে মনে করবো।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ