প্রেমের টানে ইতালির তরুণী লক্ষ্মীপুরে, বাঁধলেন সুখের ঘর

প্রকাশিতঃ ২:৪১ অপরাহ্ণ, শনি, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০

মো: ইউসুফ, লক্ষ্মীপুর : কথা আছে প্রেম মানে না কোনো ধর্ম, বর্ণ বা দেশ। সে কথা আবারও প্রমাণিত হলো। সুদূর ইতালি ছেড়ে বাংলাদেশি যুবকের প্রেমে পড়ে দেশ ছেড়েছেন প্রবাসী তরুণী।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাংলাদেশি তরুণ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার মো. ইকবাল হোসেন (২৭) প্রেমের টানে ইতালি থেকে ছুটে এসেছেন এই তরুণী। ভালোবেসে বিয়েও করেছেন দু’জন। প্রবাসী তরুণী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে প্রবাসী নাম পাল্টে হয়েছেন খাদিজা আক্তার (১৯)।

প্রেমিক ইকবাল উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাপুর গ্রামের ওসমান আলী পাটোয়ারী বাড়ীর আক্তার হোসেনের ছেলে। এ সংবাদ শুনে শুক্রবার সকাল থেকে তাদের দেখার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছে বহু মানুষ।

ইকবাল ও তার পরিবারের লোকজন জানান, প্রায় ৬ বছর আগে ইকবাল ইতালিতে গিয়ে প্রবাসী ওই তরুণীদের একটি কোম্পানীতে চাকরির সুবাদে খাদিজার সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম হয় তার। এরপর প্রায় ২ বছর ধরে ইকবাল বাংলাদেশে চলে আসেন। পরে প্রবাসী ওই তরুণী ইকবালের ফোনে ও ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক চালিয়ে আসছে। কিন্তু কাগজপত্রের কিছু সমস্যার কারণে ইকবাল পুনরায় ইতালিতে যেতে পারছে না। তাই গত বৃহস্পতিবার রাতে খাদিজা লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের গ্রামের বাড়ীতে আসলে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক দুজন বিয়ে করে। ভাষাগত কিছু সমস্যা থাকলেও বাঙালি নারীর মতোই স্বাভাবিকভাবে সব কাজ করছেন খাদিজা। পরছেন বাঙালি পোশাকও।

শ্বশুরবাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন খাদিজা। ইকবালের সঙ্গে প্রেম, বিয়ে, বাংলাদেশ সম্পর্কে জানান অনুভূতি। তার ভাষায়, বাংলাদেশর সংস্কৃতি ও পরিবেশ আমার অনেক ভালো লেগেছে। ইকবালকে অনেক ভালোবাসি। তার জন্যই বাংলাদেশে আসা। আপনারা সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

ছেলে-পুত্রবধূর জন্য দোয়া চাইলেন ইকবালের বাবা আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, ছেলের বউ দেখে আমরা আনন্দিত। ছেলে-পুত্রবধূর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

স্থানীয়রা জানান, প্রেমের টানে ইতালির তরুণী রায়পুরে এসে উভয়ের পরিবার মেনে নেওয়ায় বাঁধলেন সুখের ঘর। বৃহস্পতিবার রাতেই তার বাবা-মা বউকে বরণ করে নিয়েছেন।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ