বই মেলায় বেড়েছে শিশুদের আনাগোনা

প্রকাশিতঃ ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, শুক্র, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০

নিউজ ডেস্ক: বই স্বপ্ন, বই অহংকার। এসব মিলিয়ে হতে পারে একটি শিশুর জীবনের রঙিন ক্যানভাস। মনের সকল মাধুরি মিশিয়ে প্রাণের মেলায় প্রকাশিত বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো উল্টাতেই সৃজনশীলতায় ঋদ্ধ হবে প্রতিটি শিশু। তাইতো শিশুপ্রহরের দ্বার খুলতেই শিশুদের পদচারণায় মুখর বইমেলা।

শুক্রবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় বইমেলার দ্বার খুলতেই ভিড় করতে থাকে শিশুরা। অভিভাবকের হাত ধরে একটি নতুন বইয়ের জন্য তাদের যেন অধীর অপেক্ষা। একইসঙ্গে বইমেলায় প্রথম ছুটির দিন হওয়ায় অভিভাবকরাও নিজের ছোট্ট সোনামণিটাকে নিয়ে চলে এসেছেন ভালোবাসার বর্ণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে।

সকালে মেলা ঘুরে দেখা যায়, অমর একুশে বইমেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে বাংলা একাডেমি শুক্রবারের মেলার একটা অংশকে ‘শিশুপ্রহর’ ঘোষণা দেওয়ায় অনেক অভিভাবক শিশুদের নিয়ে ভিড় করছেন।

অভিভাবকদের সঙ্গে শিশুরা ঘুরতে বেড়িয়েছে বইয়ের রাজ্যে। এছাড়া এবারের প্রথম শিশুপ্রহরে শিশুদের মনোরঞ্জনে প্রধান আকর্ষণ সিসিমপুরের চরিত্রগুলো। তারা সময় পার করবে তাদের সঙ্গেও। একইসঙ্গে তাদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে মেলার অন্য অংশগুলোও।

বইমেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে শিশু চত্বরে এক হাতে বাবার হাত আরেক হাতে বই নিয়ে হাঁটছিল উচ্ছ্বসিত ইভান আহমেদ। কথা হলে লাজুক স্বরে বলে, বইমেলায় আসতে পেরে আমার অনেক ভালো লাগছে। এখানে অনেক বই। আমিও দুটো বই নিয়েছি। একটা এখানেই পড়ে শেষ করে ফেলেছি। আর অন্যটা বাড়ি গিয়ে পড়বো। মেলা থেকে আরও অনেক বই কিনব।

ইভানের বাবা আরিফুল ইসলাম বলেন, শিশুদের জন্য বইমেলার আলাদা একটা অংশ করা মানে শিশুদের আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া। আমাদের উচিত সেই গুরুত্বটা বুঝে শিশুদের মঙ্গলের জন্যই তাদের বইমেলায় নিয়ে আসা। কেননা শিশুদের জন্য বইয়ের চেয়ে ভালো আর কী হতে পারে!

শিশুপ্রহর সম্পর্কে মেলা কমিটির সদস্য সচিব জালাল আহমেদ বলেন, শিশুদের জন্য এবার শিশু চত্বর বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে। এছাড়া এখানে শিশুপ্রহরের দিনগুলোতে ‘তারুণ্যের বই’ ব্যানারে বইপাঠে উৎসাহিত করা হবে শিশু-কিশোরদের।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ