বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, দুদিন পর লাশ হস্তান্তর

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪ অপরাহ্ণ, শুক্র, ৬ সেপ্টেম্বর ১৯

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা জয়নগর ও ভারতের গেদে সীমান্তের শূন্য রেখায় বিজিবির কাছে লাশটি হস্তান্তর বিএসএফ। জীবননগর ধোপাখালী বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার রেজাউল করিম জানান, উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে লাশ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ভারতের গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের এসি স্বরূপ মহান্ত ও কৃষ্ণনগর থানা পুলিশের ইনচার্জ রাজ শেখর পাল লাশ হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন। আর বাংলাদেশের পক্ষে চুয়াডাঙ্গা জীবননগর ধোপাখালী ক্যাম্প কমান্ডার রেজাউল করিম ও জীবননগর থানার ওসি শেখ গনি মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবি রাতেই জীবননগর থানা পুলিশকে নিহত নাজিমের লাশ বুঝিয়ে দেন। পরে জীবননগর থানার ওসি শেখ গনি মিয়া নিহতের বড় ভাই রতন মিয়ার কাছে লাশ বুঝিয়ে দেন।

রাতেই লাশ নিজ গ্রাম চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের গাংপাড়ায় নেয়া হয়। নিহত নাজিম উদ্দিন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আকন্দবাড়িয়া গ্রামের গাংপাড়ার তারু মিয়ার ছেলে।

উল্লেখ্য, বুধবার রাতে নাজিমসহ বেশ কয়েকজন মিলে দর্শনা নিমতলা সীমান্তের ৭৪নং মেইন পিলারের পাশ দিয়ে গরু আনতে ভারতের অভ্যন্তরে যায়। এ সময় ভারতের মাঠপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদলের সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে নাজিম গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। অন্যরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে।

নাজিমের লাশ বিএসএফ সদস্যরা উদ্ধার করে। পরে রাতেই স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। ওই দিনই কৃষ্ণনগর হাসপাতালে তার লাশের ময়নতদন্ত সম্পন্ন হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিমতলা সীমান্তের শূন্যরেখায় উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক হয়। পতাকা বৈঠকে বিজিবির কাছে বিএসএফ স্বীকার করে নাজিমকে গুলি করে হত্যা করেছে তারা।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ