মাঝপথে ১২ বগি রেখেই রওনা দিল লালমনি এক্সপ্রেস

প্রকাশিতঃ ৯:৩৩ অপরাহ্ণ, সোম, ৩০ ডিসেম্বর ১৯

সময় জার্নাল প্রতিবেদক : গাইবান্ধায় মাঝপথে ১২টি বগি রেখেই ছেড়ে গেল আন্ত নগর লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেন। গতকাল রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনটির নতুন একটি বগির হুক (দুটি বগির সংযোগস্থল) ভেঙে যাওয়ায় গাইবান্ধা ও কুপতলা রেলওয়ে স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে ইঞ্জিন ফিরে গিয়ে বগিগুলো গাইবান্ধা স্টেশনে আনে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন সূত্র জানায়, লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনটি গতকাল সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে লালমনিরহাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়। গাইবান্ধা স্টেশনে পৌঁছার সময় ছিল ১১টা ১৮ মিনিট, কিন্তু পৌঁছায় ১২টা ৩০ মিনিটে।

সূত্রে জানা যায়, লালমনি এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের সঙ্গে পুরনো চারটি বগি এবং এরপর নতুন ১২টি বগি সংযুক্ত ছিল। ট্রেনটি গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে গাইবান্ধার উদ্দেশে রওনা দেয়। পরে কুপতলা স্টেশন অতিক্রম করে গাইবান্ধা স্টেশনে যাওয়ার পথে হঠাৎ পুরনো চারটি বগির সঙ্গে নতুন ১২টি বগির সংযোগস্থলের হুক ভেঙে যায়। এ সময় ট্রেনচালক বিষয়টি টের পেলেও তাকে বাধ্য হয়ে পুরনো চারটি বগি নিয়েই ট্রেন চালিয়ে যেতে হয় এবং ট্রেনটি গাইবান্ধা স্টেশনে পৌঁছায়। এদিকে রেখে যাওয়া বগিগুলো আপনা-আপনি গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনের এক কিলোমিটার উত্তরে ভেড়ামারা রেল ব্রিজের কাছে থেমে গেলে যাত্রীরা ট্রেন থেকে নেমে পড়ে। এ সময় বগিগুলোতে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে। পরে গাইবান্ধা স্টেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ট্রেনচালককে সঙ্গে নিয়ে লালমনি এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন ঘুরিয়ে নতুন বগিগুলো গাইবান্ধা স্টেশনে আনেন। এরপর হুক ভেঙে যাওয়া বগিটি গাইবান্ধা স্টেশনে রেখেই অন্য বগিগুলো নিয়ে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রেনটি।

গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশনের এক কর্মচারী জানান, নতুন বগির হুকের সঙ্গে পুরনো বগির হুক যুক্ত হওয়ার কথা নয়। হুক লাগানোর জায়গায় অতিরিক্ত ঢিল থাকায় হুকটি লাফালাফি করে। এতে হুক ভেঙে যেতে পারে। এর ফলে বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ