মিজানুর রহমান সিনহা’র কবিতা ‘খোকার শততম জন্মদিন’

প্রকাশিতঃ ৭:২০ অপরাহ্ণ, সোম, ১৬ মার্চ ২০

মিজানুর রহমান সিনহা’র কবিতা ‘খোকার শততম জন্মদিন’

দেখতে দেখতে শতবর্ষ হয়ে গেলো ছোট্র সেই খোকার,
১৭ই মার্চ জন্ম তাঁর আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল বাংলার।

অমরত্বের পেয়ালা পান করেছেন মানুষের তরে নিজেকে বিলিয়ে,
তাঁর-ই স্বপ্নের সোনার বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে।

কি জেল কি টর্চার সেল কোনো কিছুই দমাতে পারেনি তাঁকে,
হাসি মুখে বরণ করে নিয়েছেন তা জীবনের বাঁকে বাঁকে।

ফাঁসির মঞ্চকে রঙ্গ মঞ্চের মতই নির্ভয়ে দেশের জন্য করেছিলেন আপন,
বারবার তাঁকে হত্যা করে নীরবে করতে চেয়েছিলো দাফন।

কিন্তু পারেনি পাষণ্ড মনের সেই মানুষের রক্তে হলি খেলা জানোয়ার,
ব্যর্থ হয়েছিলো তাদের সমস্ত চেষ্টা বারেবার।

তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে মানুষ নামলো মুক্তির সংগ্রামে,
অবশেষে স্বাধীনতা এসে ধরা দিলো এক পারাবার রক্তের দামে।

বাংলার আকাশে স্বাধীনতার সূর্য উঠিছিলো কাটিয়ে সব জল্পনা।
সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশের উন্নয়নের জন্য নিয়েছিলেন মহা পরিকল্পনা।

কিন্তু দমে যায়নি শত্রুরা তখনো চেয়েছিল নিতে প্রতিশোধ,
সেই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত ছিলেন বিশ্বাসী মোশতাক খোদ।

১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা চিনিয়ে আনার অপরাধে হত্যা করলো পুরো পরিবার,
দীর্ঘদিন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মুছে ফেলেছিলো স্মৃতিচিহ্ন তাঁর।

আজ ব্যর্থ হয়েছে চরম ভাবে সেই ষড়যন্ত্রকারীর দল,
এখন তারাই অস্তিত্বহীন হারিয়ে ফেলেছে সব মিথ্যার বল।

মুজিব আবার ফিরে পেয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান আপন মহিমায়,
মানুষ তাঁর মানবতাবাদী আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়।

তাঁর শততম জন্মদিনে জানাই শ্রদ্ধা আর হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা,
ওপারেতে ভালোই আছো নেতা তাই করি আশা।

শিক্ষার্থী, ইতিহাস বিভাগ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ