রাত পোহালে বাংলাদেশের যে ৪০ গ্রামে ঈদ

প্রকাশিতঃ ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ, রবি, ২৪ মে ২০

চাঁদপুর প্রতিনিধি : রাত পোহালে বাংলাদেশের ৪০ গ্রামে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব গ্রামে মুসলমানরা সৌদি আরবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো পালন করে আসছে।

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার ৪০টি গ্রামে প্রায় ৮৯ বছর ধরে এভাবে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

যেসব গ্রামে আগামীকাল ঈদ উদযাপন হবে-

হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, শমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, বেলঁচো, জাঁকনি, প্রতাপপুর, গোবিন্দপুর, দক্ষিণ বলাখাল। ফরিদগঞ্জ উপজেলার সেনাগাঁও, বাশারা উভারামপুর, উটতলী, মুন্সিরহাট, মূলপাড়া, বদরপুর, পাইকপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, কাইতাড়া, নুরপুর, শাচনমেঘ, ষোল্লা, হাঁসা ও চরদুখিয়া। মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশআনী, মোহনপুর, পাঁচআনী এবং কচুয়া উপজেলার উজানি গ্রাম।

হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা হামিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবু বকর বলেন, একই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মরহুম মাওলানা আবু ইছহাক ইংরেজি ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ইসলামের সব ধর্মীয় রীতিনীতি প্রচলন শুরু করেন। মাওলানা ইছহাকের মৃত্যুর পর থেকে তার ছয় ছেলে এ মতবাদের প্রচার চালিয়ে আসছেন। এদের মধ্যে তার বড় ছেলে মরহুম আবু যোফার মোহাম্মদ আবদুল হাই সাদ্রাভী ছিল অন্যতম।

সাদ্রা দরবার শরিফের বর্তমান গদিশীন পীরজাদা মাওলানা আবু জাহের আরিফ চৌধুরী বলেন, করোনাকালে মসজিদের ভিতরেই নামাজ আদায় করা হবে।

সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান মাত্র ছয় ঘণ্টা। আমরা বাংলাদেশ একদিন আগেই রোজা রেখেছি।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।