শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা গুজব: জাবি উপাচার্য

প্রকাশিতঃ ৮:০৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গল, ৫ নভেম্বর ১৯

নিউজ ডেস্ক: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হমলার অভিযোগ সত্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। তিনি বলেছেন, আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি।

মঙ্গলবার দুপুরে নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি করেন জাবি উপাচার্য।

দুপুরের দিকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে তার বাসভবনের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের মিছিল থেকে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে ৩০-৩৫ জনের বেশি আহত হয়।

পরে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জাবি উপাচার্য ফারজানা ইসলাম বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো হামলা হয়নি। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলনকারীদের আমার বাসভবনের সামনে থেকে সরিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমার বাড়িতে আমাকে আটকে রেখে যে হামলা করা হয়েছে। আমার বাচ্চাদের আমার বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। এটা কি হামলা নয়?

আন্দোলনকারীদের পেছনে জামায়াত-শিবির রয়েছে বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য বলেন, জামায়াত-শিবিরপন্থী শিক্ষকদের সহায়তায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলছে। তারা গত কয়েকদিন ধরে আমাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। আমি বের হতে পারিনি। সরকারের উচিত হবে এই চক্রকে খুঁজে বের করা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কারণে অফিস করতে পারছেন বলেও জানান উপাচার্য ফারজানা ইসলাম বলেন, আমি এখন অফিস করবো। কিন্তু সেটা দেওয়া হচ্ছে না। যে ভাষায় তারা গালাগালি করেছে তাতে আমরা মর্মাহত।

গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে রাখেন। যতদিন না উপাচার্যকে অপসারণ করা হবে, ততদিন অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আন্দোলনকারীরা যখন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন, তখন উপাচার্যপন্থী শিক্ষকেরা সেখানে যান। তারা আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তুলে দিয়ে উপাচার্যের বাসভবনে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে তারা বাসভবনে ঢুকতে পারেননি।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ