শীতের তীব্রতা থাকছে আরও ২দিন

প্রকাশিতঃ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ, শনি, ২১ ডিসেম্বর ১৯

নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও ৪৮ ঘণ্টা অর্থ্যাৎ আরও দুইদিন পর তাপমাত্রা একটু বাড়তে পারে।

শনিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলেও শনিবার এ বিষয়ে কোনও খবর পাওয়া যায়নি। অবশ্য বেশিরভাগ এলাকায় এদিনও ঘন কুয়াশার কারণে সূর্য উঁকি দিতে পারেনি।

ঢাকাসহ সারাদেশেই সন্ধ্যা পর্যন্ত ছিল একই অবস্থা। শৈত্যপ্রবাহ না থাকায় এখন শীত একটু কমার পথে; সোমবার যা আরও কমে যেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতর বলছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে অধিদফতর জানায়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তাপমাত্র কিছুটা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে অধিদফতর জানিয়েছে।

আবহাওয়ার সার্বিক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

প্রতি বছর রাজধানীতে সাধারণত শীতের আমেজ দেখা যায় অন্য এলাকার চেয়ে অনেকটা দেরিতে। ঢাকায় গত মঙ্গলবার পর্যন্ত শীতের তীব্রতা ছিল না। তবে বুধবার থেকে এখানে তাপমাত্রা কমতে থাকে। তাপমাত্রা কমার বিপরীতে শুরু হয় শীতল হাওয়া। সূর্য মুখ লুকায় কুয়াশার আড়ালে।

ঢাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি শনিবারও; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ফরিদপুরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সবচেয়ে কম ১০ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা কম থাকলে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে ধরা হয়। থার্মোমিটারের পারদ ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। আর পারদ ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়।

এবার হঠাৎ করে পৌষের শুরুতে নেমে এসেছে মাঘের শীত। এরই মধ্যে গত কয়েকদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে রাজশাহী, ঈশ্বরদী, নওগাঁর বদলগাছী, রাজারহাট ও যশোরে।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ