সরকারে স্বস্তি

প্রকাশিতঃ ৩:৩২ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ২৪ অক্টোবর ১৯

নিউজ ডেস্ক: ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার মামলার বিচারকাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়ে একসঙ্গে ১৬ জনের ফাঁসির রায়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্বস্তি প্রকাশ করছি।

বৃহস্পতিবার ২৪ অক্টোবর সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সরকারের পক্ষে এ স্বস্তি প্রকাশ করেন।

এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। মামলায় ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি মানুষের সামনে আনার জন্য সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের ফেনী জেলা কারাগার থেকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। তাদের কাঠগড়ায় তোলার পর বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। রায় শেষে আসামিদের আবার জেলা কারাগারে ফেরত নিয়ে যাওয়া হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বিচারক এই দিন ধার্য করেন। হত্যাকাণ্ডের সাড়ে ছয় মাসের মাথায় এই রায় হলো।ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার মামলায় একসঙ্গে ১৬ জনের ফাঁসির রায়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্বস্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সরকারের পক্ষে এ স্বস্তি প্রকাশ করেন। মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নুসরাত হত্যার বিচারকাজ দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে স্বস্তি প্রকাশ করছি।

এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ। মামলায় ১৬ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। আসামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি মানুষের সামনে আনার জন্য সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ।

বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের ফেনী জেলা কারাগার থেকে আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। তাদের কাঠগড়ায় তোলার পর বিচারক রায় পড়া শুরু করেন। রায় শেষে আসামিদের আবার জেলা কারাগারে ফেরত নিয়ে যাওয়া হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বিচারক এই দিন ধার্য করেন। হত্যাকাণ্ডের সাড়ে ছয় মাসের মাথায় এই রায় হলো।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ