সহসাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না : শিক্ষাসচিব মো. মাহবুব হোসেন

প্রকাশিতঃ ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ, শুক্র, ৫ জুন ২০

সময় জার্নাল প্রতিবেদক: করোনার সংক্রমণ আতঙ্কের মধ্যে দুই মাসেরও বেশি সময় বন্ধ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই ভাইরাসে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার এখনও উদ্বেগজনকভাবে ঊর্ধ্বমুখী। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না।

অভিভাবকরাও এ মুহুর্তে ঝুঁকি নিয়ে সন্তানকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাতে চাচ্ছেন না। বরং পরিস্থিতি এমন যে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিলেও অভিভাবকরা সন্তানকে স্কুল-কলেজে পাঠাবেন না। ফলে সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনই না খোলার ব্যাপারেই চিন্তা করছে সরকার।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন সময় জার্নালকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিপূর্বে সেপ্টেম্বরের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেয়ার ব্যাপারে ইঙ্গিত দিয়েছেন। সরকার সিদ্ধান্ত যেটাই নেবে তা ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা সামনে রেখে সবচেয়ে ভালোটা নেবে। বর্তমানে পরিস্থিতি পর্যালোচনা চলছে।

স্থগিত হয়ে থাকা উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি), আলিম ও সমমানের পরীক্ষাও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শুরু হচ্ছে না- জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা পরীক্ষা নেওয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে। করোনার কারণে কোন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন যেন পিছিয়ে না পড়ে সে জন্য আমরা পলিসি গ্রহণ করেছি।

বিকল্প পাঠদানের পদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষাসচিব বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার জন্য ছাত্রছাত্রীদের বাসায় রেখে লেখাপড়ার ব্যবস্থা বা বিকল্প পাঠদানের চিন্তা চলছে। বর্তমানে সংসদ বাংলাদেশ টিভির মাধ্যমে পাঠদান চলছে। এ পদ্ধতিকে আরও উন্নত করতে হবে। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদেরকেও ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার দিকে ঝুঁকতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে প্রথম ৮ মার্চ করোনা রোগী পাওয়ার পর ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ওইদিন থেকেই গণপরিবহন এবং দোকানপাট ও কলকারখানা বন্ধ রাখা হয়। আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় ১৭ মার্চ।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।