সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে দেয়া হবে না: রব

প্রকাশিতঃ ৮:০৮ অপরাহ্ণ, শনি, ১৮ জানুয়ারি ২০

নিউজ ডেস্ক: ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের ভোটে ইভিএম ব্যবহার করতে দেয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

ইভিএমে ভোট কারচুপির নানা দিক তুলে ধরে শনিবার জোটের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব এ হুশিয়ারি দেন।

তিনি বলেন, নতুন ডাকাতির পদ্ধতি হচ্ছে ইভিএম। এই ডাকাতির বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করছি এই মেশিন চালু করতে পারবে না। নির্বাচন কমিশন বলেছিল যদি ভোটার এবং যারা অংশীদার তারা যদি না চায় ইভিএম চালু করবেন না। এখন দেখা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশনই ভোট ডাকাতির জন্য পেপার ট্রেইল ছাড়া ইভিএম চালু করছে। পেপার ট্রেইল ছাড়া ইভিএম চালু আমরা সমর্থন করছি না।

আসম রব বলেন, ভোটাররা যদি বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ইভিএম ছুঁড়ে ফেলে দেয়- আমাদের বলার কিছু থাকবে না।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, এই ইভিএমকে সারা পৃথিবীতে বর্জন করেছে। এই ইভিএমকে বুড়িগঙ্গা নয়, বঙ্গোপসাগরে ফেলে দেয়া হোক। এই মেশিন বাংলাদেশের মানুষ চায় না। এই ইভিএম ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

ইভিএমেই ভোট হচ্ছে; তাহলে আপনারা ভোট বর্জন করবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে আসম রব বলেন, ‘আন্দোলনে বর্জন হতে পারে, বর্জনের পরে আর কিছু থাকে না, বর্জনের পরে তো আর কিছু নাই। আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখব। যদি শেষ পর্যন্ত আর কোনো পথ না থাকে তখন সর্বশেষ পথ সেটা অবলম্বন করব কিনা সেটা এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেইনি আমরা।

তিনি বলেন, আমাদের বুয়েটের যে মেশিন ছিল যিনি ওই মেশিনের উদ্যোক্তা, যিনি এই মেশিনের প্রকৌশলী তিনি পরিষ্কার বলেছেন, পেপার ট্রেইল না থাকলে একজন ভোটারের পক্ষে জানা সম্ভব নয় যে, তার ভোট কোথাও কারচুপি হচ্ছে কিনা। এই ইভিএমে পেপার ট্রেইল যেহেতু নাই সেহেতু এই ইভিএম পদ্ধতি বাতিল করা উচিত।

রব বলেন, আগে ৩০ তারিখের জায়গায় ২৯ তারিখে রাতেবেলা ভোট নিয়েছেন। এবার নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন যেটা বিএনপিসহ আমরা সব রাজনৈতিক দল বলেছি যে, ইভিএমে পেপার ট্রেইল না থাকলে ভোটার যদি তার ভোটটা কাকে দিচ্ছেন, সঠিক জায়গায় তার ভোটটা পড়ছে কিনা প্রতীকে- এটা না দেখতে পারে- তাহলে সেই মেশিন চালু করা যায় না।

সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে সেমিনার কক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে ঢাকা সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার এবং নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর এই সংবাদ সম্মেলন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, গণফোরামের অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার আফ্রিক, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহীদুল্লাহ কায়সার, মমিনুল ইসলাম, বিকল্পধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণস্বাস্থ্য সংস্থার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জেএসডির সানোয়ার হোসেন তালুকদার, শহীদউদ্দিন মাহমুদ স্বপন উপস্থিত ছিলেন।

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ