সুনামগঞ্জে হোম কোয়ারিন্টেনে থাকা প্রবাসীর মৃত্যু

প্রকাশিতঃ ২:০১ অপরাহ্ণ, বৃহঃ, ২ এপ্রিল ২০

সেলিম আহমদ তালুকদার, সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের জালালপুররে হোম কোয়ারিন্টেনে থাকা অবস্থায় জয়নাল আবেদীন (৪৯) নামের এক ওমান প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটায় তিনি নিজ বাড়িতে হোম কোয়ারিন্টেন থাকা অবস্থায় মারা যান। জয়নাল আবেদীন দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের জলালপুর গ্রামের বাসিন্দা।

নিহতের স্বজনরা জানান, তিনি গত ১৮ মার্চ ওমান থেকে হযরত শাহজালাল আন্তঃর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে তিনি দেশে আসেন। দেশে আসার পর থেকে তিনি স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীর মাধ্যমে হোম কোয়ারিন্টেনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার কোয়ারিন্টিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিলো। সকালে তার তীব্র পেটে ব্যাথ্যা শুরু হলে গ্রামের ডাক্তার আরজু মিয়া তাকে দুটি ইনজেকশন দেয়ার পর তিনি মারা যান।

মান্নারগাঁও ইউনিয়নে মোট চারজন প্রবাসী সম্প্রতি বিদেশ থেকে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন পুরুষ এবং দুজন নারী। জয়নাল আবেদীন ছিলেন তাঁদের একজন। তিনি মারা যাওয়ায় বর্তমানে ইউনিয়নে তিনজন হোম কোয়ারেন্টিনে আছেন।

মান্নারগাও ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডেও ইউপি সদস্য মোঃ সাব্বির আহমদ বলেন, জয়নাল গেল দুই বছর যাবৎ ওমান প্রবাসী ছিলেন। ১৮ মার্চ তিনি বাড়িতে আসেন। এসময় তার কোন অসুস্থতা ছিলো না। তবে পরিবারের লোকজন জানায় তিনি পেটের পীড়ায় আক্রান্ত ছিলেন।

জয়নাল আবেদীনের বড় বোন মরিয়ম বিবি বলেন, তাঁর ভাইয়ের পেটব্যথার সমস্যাটা অনেক পুরোনো। এর বাইরে সর্দি, জ্বর, কাশি বা অন্য কোনো সমস্যা ছিল না। তিনি সুস্থই ছিলেন।

দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, তিনি খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ওই বাড়িতে যান। পরিবার, প্রতিবেশী ও স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। জয়নাল আবেদীনের করোনাভাইরাস সংক্রমণের কোনো লক্ষণ ছিল না বলে পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন। সবকিছু শুনে ও দেখে তাঁদের মনে হয়েছে, জয়নাল হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। করোনার উপসর্গ না থাকায় পরীক্ষার জন্য তাঁর নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে না।

সময় জার্নাল/

লকডাউন পরিস্থিতিতে পাঠকদের অবস্থা, সমস্যায় পড়া মানুষদের কথা সরকার, প্রশাসন এবং সকল খবরাখবর আমাদের সব পাঠকের সামনে তুলে ধরতে আমরা মনোনীত লেখাগুলি প্রকাশ করছি। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিও আমাদের পাঠাতে ক্লিক করুন

স্থান, তারিখ ও কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই লিখে পাঠাবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।

ফেসবুকের মাধ্যমে মতামত জানানঃ